osmium

সমনামঃ ওসমিয়াম।
উৎসঃ খনিজ। ধাতব পদার্থ থেকে প্রস্তুত।
osmium
osmium
প্রুভারঃ   ডাঃ বার্ঝেলিয়াম।
ক্রিয়াস্থলঃ মন, বক্ষ, পাকস্থলী, স্ত্রীজননাঙ্গ, শ্বাসযন্ত্র।
প্রধান লক্ষনঃ
১ম কথাঃ পিঠে ও কাঁধে পোকা হাটার অনুভূতি এবং গায়কদের স্বরভঙ্গ।
২য় কথাঃ দূর্গন্ধময় ঘর্ম ও এলবুমেনযুক্ত প্রস্রাব।
৩য় কথাঃ গ্লুকোমা, বাতির আলোর চতুর্দিকে রংধনুর ন্যায় বৈচিত্র্যময় রঙ্গিন আভা দৃষ্ট হয়।
৪র্থ কথাঃ শুষ্ক কাশি, সমগ্র শরীর ঝাঁকি দিয়ে ওঠে এরূপ কঠিন ও শুষ্ক কাশি।
মায়াজমঃ সিফিলিটিক।
কোন্ রোগের কি লক্ষণ প্রযোজ্য
★★ চর্মপীড়াঃ
লক্ষণঃ
১। একজিমা, ঘামাচি, ঘামাচির মতো অতি ক্ষুদ্র স্ফোটক।
২। ঘাম হয়, ঘামে রসুনের মতো গন্ধ, অত্যন্ত চুলকায়।
➤ শক্তি-৬।
★★ চক্ষুপীড়াঃ
লক্ষণঃ

১। অস্পষ্ট দৃষ্টি, ক্ষীণ দৃষ্টি, চোখে জ্বালা করে, কখনো বা কর-কর করে।
২। চোখে আলো সহ্য হয় না।
৩। চোখে রামধনুর মতো দেখে।
৪। আলোর চারপাশে সবুজ রঙের রেখা বা আভা দেখে। ৫। চোখে বেদনা, চোখ দিয়ে জল পড়ে প্রভৃতি উপসর্গে অসমিয়ম প্রযোজ্য।
➤ শক্তি-৬ বা ৩০। ২ দিন সেব্য।

★★ শ্বাসযন্ত্রের পীড়াঃ
লক্ষণঃ

১। কাশি, গলা কুটকুট করে, আক্ষেপিক কাশি।
২। গলায় বেদনা, গলা স্বরভঙ্গ।
৩। দড়ির মতো শক্ত সর্দি গলায় আটকায়।
৪। কাশিতে ঘঙ-ঘঙ শব্দ হয়।
৫। হাঁচি হয়।
৬। কাশতে কাশতে রোগী কাহিল হয়ে পড়ে প্রভৃতি উপসর্গে অসমিয়ম প্রযোজ্য।
➤ শক্তি-৬, ৩০ বা ২০০। ৩ দিন সেব্য।

★★ প্রস্রাবের পীড়াঃ
লক্ষণঃ

১। প্রস্রাব-পীড়ার কয়েকটি উপসর্গে অসমিয়ম প্রয়োগ করলে উপকার হয়। যেমনঃ অল্প পরিমাণে প্রস্রাব হয়, প্রস্রাবের রঙ কটা, পরীক্ষা করালে এলবুমেন থাকে, প্রস্রাবে বিশ্রী ধরনের ঝাঁঝালো গন্ধ থাকে, প্রস্রাবের তলানিতে লালবর্ণের পদার্থ দেখতে পাওয়া যায়।
➤ শক্তি-৩০ বা ২০০। ২ দিন সেব্য।

★★ কিডনীর পীড়াঃ
লক্ষনঃ

১। কিডনীতে ব্যথা ও যন্ত্রণা।
২। কিডনী ভারী বোধ হওয়া।
➤ শক্তি-২০০। ২ দিন সেব্য।

মায়াজম কি

————-০———–

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top