আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন বি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন বি আমাদের দেহে শক্তি উৎপাদন, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, কোষ বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক, চুল ও চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক। ভিটামিন বি আসলে একটি গ্রুপ যা অনেকগুলো ভিটামিন বি এর সমন্বয়ে গঠীত।
ভিটামিন বি কি?
ভিটামিন বি আসলে একটি গ্রুপ, যেখানে
ভিটামিন বি১ (থায়ামিন)
বি২ (রিবোফ্লাভিন)
বি৩ (নায়াসিন)
বি৫ (প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড)
বি৬ (পাইরিডোক্সিন)
বি৭ (বায়োটিন)
বি৯ (ফোলেট) এবং
বি১২ (কোবালামিন)
আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনগুলোর মধ্যে ভিটামিন বি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন বি আমাদের দেহে শক্তি উৎপাদন, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা, কোষ বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক, চুল ও চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক। ভিটামিন বি আসলে একটি গ্রুপ যা অনেকগুলো ভিটামিন বি এর সমন্বয়ে গঠীত।
ভিটামিন বি কি?
ভিটামিন বি আসলে একটি গ্রুপ, যেখানে
ভিটামিন বি১ (থায়ামিন)
বি২ (রিবোফ্লাভিন)
বি৩ (নায়াসিন)
বি৫ (প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড)
বি৬ (পাইরিডোক্সিন)
বি৭ (বায়োটিন)
বি৯ (ফোলেট) এবং
বি১২ (কোবালামিন)
উপরিউক্ত প্রকারভেদ গুলো ভিটামিন বি এর অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি ভিটামিনের নিজস্বতা রয়েছে। এজন্যই এগুলো একটির সাথে আরেকটি সামঞ্জস্য ব্জার রেখে শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পাদিত করে।
কোন কোন খাদ্যে ভিটামিন বি পাওয়া যায়?
ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবারের তালিকা বেশ লম্বা। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই ভিটামিনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। কিছু সাধারণ উৎস হলো:
ভিটামিন বি১ (থায়ামিন): বাদাম, মটরশুটি, চালের ছাতু।
ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন): ডিম, দুধ, সবুজ শাকসবজি।
ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন): মাছ, মাংস, বাদাম।
ভিটামিন বি৫ (প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড): শাকসবজি, মুরগির মাংস, দই।
ভিটামিন বি৬ (পাইরিডোক্সিন): আলু, কলা, মুরগি।
ভিটামিন বি৭ (বায়োটিন): ডিম, সয়াবিন, ফুলকপি।
ভিটামিন বি৯ (ফোলেট): পালংশাক, শস্যদানা, কমলালেবু।
ভিটামিন বি১২ (কোবালামিন): মাছ, মাংস, দুধ, ডিম।
ভিটামিন বি এর অভাবে কি কি রোগ হতে পারে?
ভিটামিন বি এর ঘাটতি হলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভিটামিন বি এর অভাব সাধারণত নিম্নলিখিত সমস্যাগুলোর সৃষ্টি করতে পারে:
ভিটামিন বি১ (থায়ামিন): ভিটামিন বি১ এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।এর ফলে স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন): অভাবে মুখে ঘা, ঠোঁট ফাটার সমস্যা, ও ত্বকের ফাটল দেখা দেয়।
ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন): এর অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়, যার ফলে ত্বকে ক্ষত সৃষ্টি হয়, পেটের সমস্যা হয় এবং স্মৃতিভ্রংশ ঘটে।
ভিটামিন বি৬ (পাইরিডোক্সিন): ভিটামিন বি৬ এর অভাবে খিঁচুনি, খিটখিটে মেজাজ দেখা দেয় এবং শারীরিকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে ।
ভিটামিন বি১২ (কোবালামিন): ভিটামিন বি১২ (কোবালামিন) এর অভাবে রক্তাল্পতা এবং স্নায়ুবিক দুর্বলতা দেখা দেয়।
প্রতিকার কী?
ভিটামিন বি এর অভাবজনিত সমস্যার প্রতিকার হলো এই ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং প্রয়োজনীয় হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন বি এর সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা। এছাড়া, সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি, ফলমূল, দুধ, ডিম, মাছ ও মাংস অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
ভিটামিন বি এর অভাব থেকে রক্ষা পেতে হলে নিয়মিত সঠিক খাদ্যাভ্যাসের প্রয়োজন রয়েছে।

